Monday, March 27, 2006

কারণ আমরা মাদ্রাসায় পড়ি [চিন্তা থেকে]

[চিন্তা পত্রিকা থেকে একটা লেখা তুলে দিয়েছিলাম সামহোয়্যারইনব্লগে। লেখাটির লেজ ধরে পাঠকদের কাছ থেকে অনেক প্রতিক্রিয়া আসে। প্রতিক্রিয়াগুলো আমাকে 'ভাবনার স্প্রে 'সিরিজ লিখতে উদ্বুদ্ধ করে। আগে চিন্তা পত্রিকার লেখাটি পড়ুন ।তারপর মন্তব্য ঘরে সে প্রতিক্রিয়াগুলো ।]

জানি আমাদের মা 'ম্যাগী পাকা রাঁধুনীর' মতো চটপট নুডলস করে খাওয়াতে পারে না কখনোই, জানি ইউনিলিভারের জাদুতে আমরা স্টার হয়ে উঠবো না, জানি মেছওয়াকের বদলে আমাদের দাঁত ঝকঝকে হচ্ছে না পেপসোডেন্টের ফেনায়, আমরা এখনও জানতে পারিনি পোকেমন মিকিমাউস, আমাদের বাবারা বারবি পুতুল কিনে আনছে না, আমাদের তৃষ্ণার জল হয়ে উঠছে না লাল ঝাঁঝালো পেপসির বোতল, মোবাইল কোম্পানিগুলান আমাদের টাঙাবে না নগরীর বিলবোর্ডে, মুনাফা উপযোগী ডিজুস জীবন-- আমরা পারি না ডট কমের আদর্শ ভোক্তা হতে, জানি তাই খরচযোগ্য সংখ্যা (মানুষ নয়) হিসেবে আমাদের দিকে তাক হয়ে আছে যাবতীয় সশস্ত্র দৃষ্টি-- নির্মূল অভিযান। জানি আমাদের দিকে সতর্ক-নির্দ্বিধায়-সন্দেহ-ঘৃণায় তাকাবে গোয়েন্দা-পুলিশ-বুদ্ধিজীবী প্রগতিশীল-রাজনীতিক-লড়াকুরা।

কারণ আমরা মাদ্রাসায় পড়ি।

আমাদের কোনো 'হরলিক্স প্রতিভা' নাই, এত এত রাষ্ট্রীয় আন্তঃক্রীড়া, নিরক্ষরতা দূরীকরণ-গণশিক্ষা-স্বাক্ষরতা-সর্বজনীন-উপ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা, জাতীয়(!) টেলিভিশন পার্লামেন্টারি ডিবেট (ইংরেজিতে) 'রুখবে আমায় কে'র বাহারি শ্লোগানের কোথাও আমাদের জায়গা নাই। জায়গা নাই মান্দি চাকমা সাঁওতালসহ সকল আদিবাসী প্রান্তিক মানুষের। সবখানে আমাদের অস্তিত্ব সচেতনভাবে মুছে ফেলা হয়। সকল বিরাজমানতা উপস্থাপন প্রতীক ও পরিচয়ে আমদের মুখগুলা দেখা যায় না।

আপনারাই রাষ্ট্র, আপনারাই সন্ত্রাস। সমস্ত ইতিহাস-লড়াই-ভিন্নতা মুছে দিয়ে, 'জঙ্গি' 'মৌলবাদী' তৈরির 'একক-অভিন্ন' কারখানা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে আপনারা কেন বারবার ম্যাগী-কোকাকোলা-লিভাইস-ম্যাগডোনাল্ড-সিনজেন্টা-বাংলালিংকসহ মারদাঙা সব বহুজাতিক কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত জীবন কল্পনার শিক্ষা ব্যবস্থাকে 'আধুনিক' 'প্রগতিশীল' আর 'সর্বজনীন' করে তুলেন? কেন?

আমরা গ্রামের গরিব কৃষক খেটে খাওয়া মানুষের সন্তান, আমাদের মায়েরা-বাবারা কৃষকের বুকের ধন শস্য বীজ লুট করে হাইব্রিড-জিএম বীজের ব্যবসা করে না, আমাদের আত্মীয় পরিজন কেউ নাইকো-শেল-ইউনোকলের কাছে মাটি-জঙ্গল-জীবন বন্ধক দেয় না।

তবু আমরাই বিপজ্জনক।

মাদ্রাসায় পড়ে পড়ে বড় হয়ে মানসান্তো ইউনিলিভার নেসলে মটোরোলায় চাকরির লাইন না দিয়ে 'জঙ্গি' আর 'মৌলবাদী' হয়ে যাই।

তথাকথিত একতরফা পশ্চিমি যে ধারণা মাদ্রাসাকে টুপি-দাঁড়ি-বোরখাকে আমাদের সামনে 'মৌলবাদ' বা 'জঙ্গি' হিসেবে হাজির করার বাহাদুর দেখায়... আমরা জানতে বুঝতে খুঁজতে চাই সেইসব 'বাহাদুরির' রকমফের দাপুটে কাণ্ডকারখানাগুলান।

'বাহাদুরি'-কে আর কতকাল 'প্রগতিশীলতা' হিসেবে চালানো ও চাপানো হবে?
___________________________________
নোট 1 : লেখাটি পাক্ষিক চিন্তা পত্রিকার সন্ত্রাস সংখ্যা (প্রকাশকাল: নভেম্বর 2005) থেকে নেয়া। পেছনের ফ্ল্যাপে ছাপা হয়েছে লেখাটি। লিখেছেন পাভেল পার্থ, মুনেম ওয়াসিফ ও মুসতাইন জহির। ছবি তুলেছেন মুনেম ওয়াসিফ।

নোট 2 : পোস্টের শিরোনাম আমার দেয়া। মূল লেখার বানানরীতি অনুসরণ করিনি।

1 comment:

:) said...

২৭ মার্চ ২০০৬ সামহোয়্যারইনব্লগে ছেপেছিলাম লেখাটি। সাইটটি আপডেট করার পর অনেক মন্তব্যকারীর নাম বদলে অতিথি হয়ে যায়। সেখান থেকে নির্বাচিত কিছু মন্তব্য:

__________________
লুনা রুশদী বলেছেন :
ভালো লাগলো।
__________________
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন :
আসলেই আমাদের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কথা চিন্তা না করে তাদেরকে সবসময় হেয় করার একটা প্রবণতা আছে। এটা খুবই দুঃখজনক।
__________________
অপ বাক বলেছেন :
কিন্তু জিকো দাবিটা কী? দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাদ্রাসার আদলে করে তুলতে হবে? এর বিপরীত দাবিটা নিয়ে আন্দোলন চলছে, ফরহাদ মাজহার কি এই আন্দোলনে নতুন মাত্রা আনতে চায়? আমি এই লোকটার রাজনৈতিক দর্শনের ভক্ত নই মোটেও।

অন্য যে বিষয়টা তুলে ধরার চেষ্টা করছে, এটা কিন্তু বেশ ভুল একটা তথ্য, বাংলাদেশের মাদ্রাসা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ পাবলিক বিদ্যালয়ের ব্যয়ের তুলনায় বেশি।

ওরা যে অর্থনীতির কারনে পিছিয়ে নেই এটা সত্য,
আর মাদ্রাসা যেহেতু প্রতিষ্ঠিত সুতরাং সেখানের পাঠ্যক্রম বদলে বাংলা মিডিয়াম আদলে করে দেওয়া সহজ হওয়ার কথা। ব্যয়ের বিষয় এটা নয় জিকো। যদি হতো লেখাটাকে ভালো বলতাম কিংবা তোমার তুলে ধরার ভাবনাটাকে সাধুবাদ জানাতাম। ওরা মাদ্রাসা শিক্ষায় আধুনিকীকরণ চায় না, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে মুরতাদ ঘোষণা দিয়ে ফেলা এসব মানুষকে এবং তাদের প্রিয় শিক্ষা মাধ্যমকে কেউ মৌলবাদের পরিবাহক বললে খুব একটা ভুল বলা হয় না, শিক্ষকের আদর্শই ছাত্র বহন করে।

আর শেষ কথাটা হলো মৌলবাদ সংজ্ঞাটা বাংলাদেশের আবিস্কার নয়, বাংলাদেশের আবিস্কার শব্দটা হলো কাঠমোল্লা, ওদের কীর্তিকলাপের উগ্রতা ওদের এ দেশে পশ্চিমা প্রভাব আসার আগেই ঐ উপাধিতে ভুষিত করেছে।

ফরহাদ মাজহার এবং তার সম্পাদিত এই পত্রিকা দুইটাই আবর্জনা।
__________________
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন :
জিকো'র ফরহাদ মজহারীয় বিভ্রান্তি দেখে বিস্মিত হলাম। ফরহাদ মজহার যখন পূর্ব বাংলার সর্বহারার নামে রাজনীতি করতেন তখনও তিনি ছিলেন দুঃস্বপ্নে ভোগা মানুষ, তারপর তার এনজিও কালে মূলধারা বিচ্ছিন্ন একজন বুদ্ধিজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার আপ্রাণ চেষ্টায় হয়ে উঠেছেন কিম্ভুতকিমাকার যুক্তি ও চিন্তার আর্বজনাঘর। কোনো বাস্তবতা নাই তার এসব অলীক-কল্পনার।

এদেশের শিশুদের আমরা একটি সার্বজনীন ব্যবস্থায় শিক্ষালয় দিতে পারিনি বলে তাদের অনেকেই মাদ্রাসায় অশিক্ষা-কুশিক্ষার শিকার হচ্ছে, এই সত্য মানি। তাই বলে নানা প্ররোচনায় যারা সেখান থেকে শরিয়া আইনের বোমাবাজ হয়ে উঠছেন তাদের প্রতি কোনো সমবেদনা নেই। ফরহাদ মজহার যদি ভেবে থাকেন ঐসব বোমাবাজরা তার জন্য বিপ্লব করে দেবেন তবে তিনি আহাম্মকের স্বর্গে বাস করেন।

মৌলবাদ বা ধর্মীয় মৌলবাদ কোনোটাই আমাদের আবিষ্কার নয়। ফান্ডামেন্টালিজম শব্দটার জন্ম হয়েছিল খ্রিস্টান মৌলবাদীদের জন্য। তাকে একটু পড়ে নিতে বলবেন জিকো। বাম পচলে কী দুর্গন্ধ ছড়ায় তিনি তার বড় প্রমাণ।
__________________
সুমন চৌধুরী বলেছেন :
মজহারের কাম হইলো, একটু ইমোশনাল এবং মগজে কিঞ্চিৎ ভূতের ভয়ওয়ালা পোলাপানগো মধ্যে যারা দুর্ঘটনাক্রমে কোনো বাম ছাত্র সংগঠনে বা তার কাছাকাছি আইছে, তাগো মিসলাইনড্ করা । তিনি এই কাজে মার্কসের আধা হেগেলীয় যুগের কিছু রেফারেন্স ব্যবহার করেন।

দীক্ষক,
মজহারের মূল প্রতিপক্ষ হচ্ছেন মার্কসবাদীরা। তাই মার্কসবাদীদের খতম করতে সৃষ্ট হেডলেস গুন্ডাবাহিনীর প্রতি তার এত পিরীত । মজহার মোটেও বোকার স্বর্গে বাস করেন না। তিনি যা করছেন সচেতন ভাবেই করছেন। আপনি যা বল্লেন, প্রয়োজন দেখা দিলে তিনি তা আরও সুন্দর এবং গোছানো ভাষায় বলতে পারবেন। আমার ব্যক্তিগত মতে ওনার মধ্যে যা আছে তা হলো
intellectual dishonesty।
__________________
অতিথি বলেছেন :
ভাল লিখেছেন। সবার জীবনযাত্রার মান এক হয় না। আর সবাই সব সুযোগ সুবিধা পায়না। কিন্তু এসবের মাঝ থেকেই উঠে আসতে পারে কোন উজ্জল প্রতিভা । কাকে দোষ দেব আমরা। নিজেদের ভাগ্যকে, দরিদ্রতাকে, সরকারি অপৃষ্ঠপষোকতাকে নাকি পশ্চিমাদের বাহাদুরিকে?
__________________
আকাশ বলেছেন :
কিছু মানুষ সবসময়েই দেখি ধর্মের বিরুদ্ধে একটা কথা বলার সুযোগ পেলে তিন লাফ দিয়ে ওঠেন...

আচ্ছা পশ্চিমা সাংস্কৃতি আমাদের সাংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে নাকি পচিয়ে ফেলেছে?

আপনারা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে যেটা বলেছেন সেটা হল, মাদ্রাসা থেকে সবসময় বের হয় বোমবাজ, ফতোয়াবাজ ইত্যাদি... আর এর সমাধান হল মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়া, মাথা ব্যাথা তাই, মাথাটাই কেটে ফেলুন...

আরে ভাই বোমাবাজরা আবার কোন ধর্মের, কোন জাতের নাকি?

খামাখা ধর্মকে দোষারোপ না করে চেষ্টা করুন নিরপেক্ষভাবে মানবীয় দৃষ্টিকোন থেকে অসহায় দরিদ্রদের কথা অনুভব করার....
__________________
অপ বাক বলেছেন :
আকাশ, মাদ্রাসা বন্ধের কথা উঠেনি, কথা উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের। শোধনের কাজটাতে আপত্তি করছেন কেন? কোথাও মাদ্রাসা বিলুপ্তের কথা নেই, আর যদি সরকারী বিদ্যালয়ে মাদ্রাসার ছাত্রদের প্রতিস্থাপন করা যায় তাহলে বাংলাদেশে মাদ্রাসার প্রয়োজন কোথায়? উদ্দেশ্য সবার জন্য শিক্ষা- ওটা পুরণের জন্য মাদ্রাসা নামক বিষয়টা একেবারে অতিপ্রয়োজনীয় কিছু না। কিন্তু ওটার অনেকগুলো খারাপ দিকের কয়েকটা হলো, ওখান থেকে যারা শিক্ষিত হয়ে বের হচ্ছে তাদের শিক্ষা এ যুগের মাপে অসম্পু্র্ণ তারা যোগ্যতার অভাবে দেশের কর্মক্ষেত্রে নিজের জায়গা করে নিতে পারছে না, কিন্তু তাদের জীবনে অর্থের প্রয়োজন, যারা ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসের জনক তারা কিন্তু এদের সহযোগিতা পাচ্ছে সহজেই, কারনটা মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার অপুর্ণতা। আর বাংলাদেশের বাংলা মিডিয়াম শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আপনার কোনো বিশেষ বিরাগ আছে?
__________________
সাঈদ বলেছেন :
ভাই দোষ মাদ্রাসাকে অথবা ইসলামী শিহ্মাপ্রতিষ্ঠানকে দেয়া যাবে না। কারণ মানুষের জঙ্গি হওয়া মাদ্রাসার উপর নির্ভর করতে পারে না। আর গুটিকয়েক লোকেদের জন্য পুরো মাদ্রাসা বা মাদ্রাসা ছাত্রদের অবমাননা করা উচিত নয়। অপবাকের সাথে আমি একমত নই।

মাদ্রাসায় পড়ার পর LLB,MBBS, ENGINEERING প্রভৃতি সবকিছু পড়ে কর্মক্ষেত্রে অধিষ্টিত হওয়া যায়। আমাদের সার্টিফিকেটমুখী শিহ্মাব্যাবস্থা কেই এখানে দায়ী করা যেতে পারে।
__________________
হিমু বলেছেন :
খোদা, ধান্ধু মজহারকে আলো দেখাও, তাকে ভালো করে দাও।
__________________
অতিথি বলেছেন :
কথা টা ঠিক না যে , মাদ্রাসার ছেলে মেয়েরা আর কিছু করছে না। সাইদ ভাই ঠিকই বলেছেন। তবে একটু কথা, যারা LLB,MBBS, ENGINEERING করছেন তাদের পারিবারিক অবস্থা, শিক্ষা ভিন্ন।

টিভি বিতর্কে তাদের দেখা যায় না কারণ, প্রতিষ্ঠান সে উদ্যোগ নেয় না। নিলে কেউ বারণ করত না।

আর জঙ্গী হবার জন্য তাদের বেশি চোখে পরে কারণ তাদের নেতারা সব ধর্মের নামে সব করে। মাথায় টুপি, থাকে, আর অধিকাংশ জঙ্গী মাদ্রাসার ছাত্র, এবং শুধু মাদ্রাসা গুলোতেই প্রশিক্ষণের সুযোগ আছে, আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এর আলামত পাওয়া যায় নি।

এটা ছাত্রদের দোষ না, এর জন্য দায়ী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, শিক্ষকরা।
__________________
মুখফোড় বলেছেন :
মাদ্রাসা ছাত্ররা যখনই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে, মজহার সাহেব কাগজে স্তম্ভ লেখেন, দরিদ্র মাদ্রাসা ছাত্রদের যাতে সমাজের রক্তচক্ষু দিয়ে বিব্রত করা না হয়। কিন্তু মজহার বলেন না, তাদের পাঠ্যক্রম থেকে উগ্র সাম্প্রদায়িক শিক্ষার উপকরণ দূর করা হোক, শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশের আধুনিকায়ন হোক, তাদের বিকৃত রাজনৈতিক উগ্রতায় ব্যবহার করা বন্ধ হোক, তাদের যারা উগ্র রাজনীতিতে ঠেলে দেয় তাদের অর্থযোগানিয়া গৌরৗসেনদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়া হোক। ভুখাল্যাংটা দরিদ্র কিন্তু মাদ্রাসায় পড়ে না, এমন বাচ্চাও বাংলাদেশে কম না, তাদের নামে তো সাম্প্রদায়িক উগ্রতার অভিযোগ আসে না। সহানুভূতি আদায় করে এই বেচারাদের আরো অন্ধকারের দিকে ছুটবার পথ চওড়া করে দেবেন না।
__________________
আস্তমেয়ে বলেছেন :
বাংলাদেশে তিনটা শিক্ষা ব্যবস্থা... বাংলা মাধ্যম, ইংরেজী মাধ্যম আর মাদ্রাসা... তিনটার মধ্যে বিশাল ব্যবধান কমিয়ে আনা দরকার নি:সন্দেহে। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকেই পাশ করা শিক্ষকরা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন... যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রয়জনীয় বদলটুকু মনে হয় আনতে পারছে না... সরকারের আরও মনযোগী হওয়া দরকার এই দিকে...
__________________

Post a Comment