Saturday, April 19, 2008

গল্প: কজমো লাউনজে ফুয়াদের গলা কাটা

ঘড়িতে রাত পোনে বারো। প্রায় বিশ মিনিট হলো ফুয়াদের গলা কাটছি। ফুয়াদ আমার বন্ধু। কিংবা ডেইলি স্টারের হবু সাংবাদিক। অথবা দুটোই।

গলা কাটায় আমার অভিজ্ঞতা নেই। দ্রুত কাটতে গিয়ে দৃষ্টিনন্দনও হচ্ছে না। শিল্পসম্মতভাবে গলা কাটার কোনো ট্রেনিং নিলে ভালো হতো। হা হা হা।

আমি ঘামছি। গরমে। ফুয়াদ ঘামছে না। চোখ খোলা তার। নিষ্পলক চেয়ে আছে। কেমন ইনোসেন্ট মুখ।

একটু রেডিও শুনতে ইচ্ছে হলো। এমনই হয় আমার। গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে অনর্থক ইচ্ছেগুলো ভীড় করে। কী বার আজকে? লাভ গুরু? সানডে নাইট? রাতভর গান?

এবং তখন লোডশেডিং। গলা কাটা বন্ধ করতে হবে এখন। মেজাজটাই গেল খারাপ হয়ে। রাত বারোটায় কারেন্ট যাওয়ার কী মানে?

ফটোশপে ফুয়াদের ছবিটা দ্রুত সেভ করছি। পিসি এখনই অফ হয়ে যাবে। ইউপিএস-এর ব্যাকআপ বেশিক্ষণ থাকে না।

ফুয়াদকে ফোন করে বলতে হবে, ছবিটা কাল সকালে ইমেইল করে পাঠালে চলবে কিনা। তুই শালা সিভি জমা দিবি, সময় নিয়ে স্টুডিওতে নতুন করে ছবি তোল। ফ্যামিলি ফটো থেকে মুখ আলাদা করে পাসপোর্ট সাইজ বানানোর কী দরকার?

এতোটুকু বলার পরই স্টেজের সামনে সবাই তালি দিয়ে উঠলো। ফুয়াদও। ডেইলি স্টারে কাজ করে এখন সে।

এরপর কোন গল্পটা বলবো, ভাবছি। আরিফ ভাই চিরকুট দিয়েছেন, আরো এক ঘণ্টা কনটিনিউ করতে।

আমার তাৎক্ষণিক গল্প বলার অনুষ্ঠান চলছে কজমো লাউনজে।
___________________________________
- ইশতিয়াক জিকো / ১৯ এপ্রিল ২০০৮, ঢাকা

6 comments:

shawon said...

lolz

fahima said...

জিকো তুই [?] ভালো লিখিস ......

ছবিও ভালো- আঁকা এবং তোলা

i wonder what u read...what do u read?

i'll keep exploring

agni said...

আপনার লেখার ও ব্লগটির ডিজাইনের প্রশংসা না করে পারা গেল না। সত্যিই আপনি ভাল লেখেন। ব্লগে রঙের ব্যবহারে রুচির পরিচয় আছে। সবকিছু জন্য ধন্যবাদ।

Omi Azad said...

জিকো তুমিতো দেখি আঁতেল হয়ে গেছো ভাইয়া।

:)

Keep it up!

toxoid_toxaemia said...

নতুন লেখা কই ?? খালি সিনেমা নিয়েই ব্যস্ত থাকলে চলবে !!

agni said...

নতুন লেখার দেখা পাওয়া যাচ্ছেনা। কারণ কি? আপনার লেখা যে আমরা নিয়মিত পড়তে চাই, তার কি হবে?

Post a Comment